উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে আবারও জমে উঠেছে উত্তেজনা। কোথাও বড় ব্যবধান পুষিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ। কোথাও সামান্য সুবিধা ধরে রাখার লড়াই। আবার কোথাও ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন। ম্যানচেস্টারের ইতিহাদ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সিটির জন্য রাতটি ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। উরুগুইয়ান মিডফিল্ডারের ফেদেরিকো ভালভার্দের অসাধারণ হ্যাটট্রিকে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।এখন সেই তিন গোলের ঘাটতি নিয়ে ঘরের মাঠে নামবে পেপ গার্দিওলার দল। গত মৌসুমেও নকআউট পর্বে রিয়ালের কাছে বিদায় নিতে হয়েছিল সিটিকে। তবু হাল ছাড়েননি গার্দিওলা। ওয়েস্ট হ্যাম ম্যাচের পর তিনি বলেছেন, ‘এখনো কিছু শেষ হয়নি। আমরা হারিনি। আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’
রিয়াল মাদ্রিদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হতে পারে এমবাপ্পের প্রত্যাবর্তন। হাঁটুর চোটের কারণে তিনি প্রথম লেগে খেলতে পারেননি। তবে কোচ আলভারো আরবেলোয়া জানিয়েছেন, ফরাসি তারকা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং ম্যানচেস্টারে দলের সঙ্গে ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে লিসবনের এস্টাদিও জোসে আলভালাদেতে স্পোর্টিং সিপির সামনে অপেক্ষা করছে অসম্ভবের চ্যালেঞ্জ। নরওয়ের ক্লাব বোদো গ্লিমট প্রথম লেগে ৩-০ ব্যবধানে জিতে গেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি তাদের টানা পঞ্চম জয়। এই মৌসুমে প্রথমবার মূল পর্বে খেলতে নেমেই তারা চমকে দিচ্ছে সবাইকে। লিগ পর্বের শেষদিকে বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে ড্র করে। এরপর ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে প্লে-অফে জায়গা করে নেয়। সেখানে ইন্টার মিলানকে দুই লেগে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে আসে। তবে স্পোর্টিংয়ের ঘরের মাঠের রেকর্ডও ভয়ঙ্কর। শেষ ১৮ ম্যাচের মধ্যে ১৭টিতেই জিতেছে তারা।লন্ডনের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসির সামনে কাজটা আরও কঠিন। প্রথম লেগে প্যারিসে ৫-২ ব্যবধানে হেরেছে তারা। নানা নাটকীয়তার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জিতে যায় বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। পিএসজির জন্য পরিস্থিতি অনেক স্বস্তির। গত সপ্তাহের বড় জয়ের পর তারা সপ্তাহান্তে লিগ ম্যাচও খেলেনি। ফলে পুরো দল বিশ্রাম পেয়েছে।
















