ন্যাটো ভূখণ্ডে সম্ভাব্য রুশ আক্রমণ মোকাবেলায় জার্মানির সশস্ত্র বাহিনীর কাছে সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য তিন বছর সময় আছে। দেশটির সামরিক ক্রয় বিষয়ক প্রধান শনিবার এ কথা জানিয়েছেন।
২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু ও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো সদস্যদের তাদের প্রতিশ্রুতি বাড়ানোর জন্য চাপ দেওয়ার পর থেকে প্রতিরক্ষা ব্যয় রাজনৈতিক এজেন্ডাকে বাড়িয়ে তুলেছে।
ফেডারেল অফিস ফর মিলিটারি প্রকিউরমেন্টের প্রধান অ্যানেট লেহনিগ-এমডেন টেগেসপিগেল সংবাদপত্রকে বলেছেন, ‘দেশকে রক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে প্রয়োজনীয় সব কিছু ২০২৮ সালের মধ্যে অর্জন করতে হবে।
’
এ ছাড়া প্রতিরক্ষাপ্রধান জেনারেল কার্স্টেন ব্রুয়ার সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া ২০২৯ সালের প্রথম দিকে ‘ন্যাটো ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ আকারের আক্রমণ শুরু করার’ পরিকল্পনা করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, ন্যাটোর বাল্টিক সদস্যদের ওপর সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য রাশিয়া গোলাবারুদ ও ট্যাংক মজুদ করছে।
লেহনিগ-এমডেন জোর দিয়ে বলেছেন, চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎসের নতুন সরকার প্রতিরক্ষার জন্য শত শত বিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করে এই আপগ্রেডকে সক্ষম করছে। স্কাইরেঞ্জার বিমানবিধ্বংসী ট্যাংকের মতো ভারী সরঞ্জামের অগ্রাধিকার থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে মেৎস তার জোট সরকারের পুনর্সজ্জিতকরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, যাতে এটি ‘ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচলিত সেনাবাহিনী’ হিসেবে গড়ে ওঠে। রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর ওলাফ শোলজের পূর্ববর্তী সরকারের অধীনে পুনর্সজ্জিতকরণ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছিল। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বছর ন্যাটো সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বর্তমান দুই শতাংশ থেকে জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার জন্য চাপ আরো বাড়িয়েছেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস বৃহস্পতিবার বলেন, ন্যাটোর বর্ধিত প্রতিরক্ষা চাহিদা মেটাতে আগামী বছরগুলোতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন সেনার প্রয়োজন হবে।
গত বছর সেনাবাহিনীতে এক লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি সেনা ছিল এবং ২০৩১ সালের মধ্যে দুই লাখ তিন হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
















