৪৯ বছর বয়সী ওই মা বিভিন্ন পাথরের নিচে কয়েকটি চিরকুট রেখে গিয়েছিলেন।
গত ১২ জুলাই ক্যালাভেরাস কাউন্টি ভলান্টিয়ার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিমের সদস্যরা ওই মা ও ছেলেকে খুঁজে পান। তারা তখন ঘটনাস্থলের কাছাকাছিই ছিলেন।
ক্যাম্পে নামিয়ে দিতে গিয়ে বিপদে পড়েন মা
ক্যালাভেরাস কাউন্টি শেরিফ অফিসের ফেসবুক পোস্টে এ অভিযানের বিস্তারিত জানানো হয়েছে। তারা বলেছে, গত ১১ জুলাই এক ব্যক্তি কাউন্টির ডিসপ্যাচ সেন্টারে ফোন করে জানান, এক মা ও তার ছেলে ক্যাম্প উলফেবোর উদ্দেশে সকাল সাড়ে ১১টায় রওনা দেওয়ার পর এখনো ফিরে আসেননি।
তামি এবিসি১০-কে জানান, তারা নিজেরা কোনো ফোন করতে পারছিলেন না। ছেলে স্টারলিংও সাড়া পাওয়ার আশায় তার স্কাউট হুইসেল বাজাচ্ছিল। তিনি মূলত ছেলেকে ক্যাম্পে নামিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন।
তল্লাশি শুরু হয় চিরকুট দেখে
শেরিফ অফিসের পোস্টে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রশিক্ষণে থাকা স্বেচ্ছাসেবক উদ্ধারদলকে দ্রুত কাজে নামানো হয়।
এদিকে কয়েকজন ক্যাম্পার জরুরি নম্বরে টেক্সট বার্তা পাঠিয়ে জানান, তারা নিখোঁজ গাড়ির মতো একটি গাড়ি দেখেছেন। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, উদ্ধারদল সঠিক এলাকায় অনুসন্ধান করছে। তার পরই একটি হাতে লেখা চিরকুট খুঁজে পায় উদ্ধারকারীরা, যাতে লেখা ছিল, ‘আমরা সামনে আছি, ডানপাশের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যান। অনুগ্রহ করে ৯১১-এ ফোন করে আমাদের জন্য সাহায্য চান। ধন্যবাদ!’
পরে দ্বিতীয় একটি চিরকউট পাওয়া যায়, যাতে নিখোঁজ মা ও ছেলের নাম ও ফোন নম্বর দেওয়া ছিল। প্রায় এক মাইল এগিয়ে গিয়ে অবশেষে তামি ও স্টারলিংকে পাওয়া যায়। তামি জানান, তারা প্রথমে গাড়ির হর্নের শব্দ শুনতে পান। তিনি বলেন, ‘আমি ঘুরে তাকিয়ে দেখি, একটা ট্রাক আসছে। তখনকার অনুভূতিটা ছিল দারুণ।’
তিনি আরো জানান, তারা গাড়ির ভেতর রাত কাটিয়েছেন বন্য প্রাণীর হাত থেকে বাঁচতে। সৌভাগ্যবশত, তাদের সঙ্গে খাবার ছিল। পরে উদ্ধারদল প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে গাড়িটি বের করে এবং তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।
পুলিশ জানায়, তারা ভুল পথে চলে যায় মূলত একটি প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছনোর পর জিপিএস সংকেত কাজ না করায়, যার ফলে তারা ফেরার রাস্তা খুঁজে পায়নি।
















