দলীয় ১ রানের ব্যবধানে আফগানিস্তানের দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল বাংলাদেশ। কেননা ৭৯ রানে তখন ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে আফগানরা।
কিন্তু পঞ্চম উইকেটে জুটি গড়ে আফগানদের পথ দেখাচ্ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান ও মোহাম্মদ নবী। মোমেন্টাম পাওয়ার পরেও তাদের জুটি ভাঙতে পারছিলেন না মিরাজ-তানজিম হাসান সাকিবরা।
অবশেষে দুজনের দারুণ কম্বিনেশনে ৩৯ রানের জুটি ভাঙতে পারে বাংলাদেশ।
ব্যক্তিগত ২২ রানে নবীকে আউট করে। তানজিম সাকিবের বলে কাভারে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন অধিনায়ক মিরাজ। বাঁ প্রান্তে ড্রাইভ দিয়ে।
তাতে প্রতিপক্ষের দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১১৮ রান।
তবে বাংলাদেশের ‘গলার কাঁটা’ হয়ে আছেন ইব্রাহিম জাদরান। আফগানিস্তানের অন্যান্য ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে যুক্ত করালেও তাকে আউট করতে পারছেন না তানজিম সাকিব-মিরাজরা। ৭২ রানে অপরাজিত আছেন তিনি ।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানদের সংগ্রহ ৩৩ ওভারে ১৩৬ রান। উইকেট ৫। জাদরানকে সঙ্গ দিচ্ছেন ৭ রান করা নানগেয়ালিয়া খারোতে।
এর আগে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে শুরুটাও ভালো পায় বাংলাদেশ। দলীয় ৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে।
মাঝে রহমত শাহ ব্যক্তিগত ৯ রানে চোট নিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হলে বাংলাদেশের জন্য লাভেরই হয়। কেননা দলীয় ১ রানের ব্যবধানে হাশমতউল্লাহ শহীদি (৪) ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে (০) ড্রেসিংরুমের পথ দেখান মিরাজ ও রিশাদ।
















