১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে। গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি, জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী সংস্কার এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ, সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার এক নতুন পরীক্ষা। ঢাকার রাজপথ থেকে শুরু করে সুদূর উত্তরের সীমান্তঘেঁষা গ্রাম, সবখানেই আজ একটিই গুঞ্জন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কী হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশক পর বাংলাদেশের মানুষ প্রথমবারের মতো একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচনের ঘ্রাণ পাচ্ছে।
করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যবেক্ষক দল ইতিমধ্যেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি ভোটের দিন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের মানুষের গত ১৫ বছরের জমানো ক্ষোভ এবং নতুন স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশের দিন। শেখ হাসিনার ৬৬৩টি মামলা আর বিপরীতে তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিশাল জনস্রোত, সবই নির্দেশ করছে যে বাংলাদেশ এক নতুন রাজনৈতিক উচ্চতায় পৌঁছাতে চাইছে।
নতুন যে সরকারই আসুক না কেন, তাদের জন্য সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হলো ক্ষমতাকে জনগণের আমানত হিসেবে ব্যবহার করা, আত্মীয়করণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়া এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করা। বাংলার প্রতিটি মাঠ ঘাট আজ স্লোগানে মুখরিত। গণতন্ত্রের এ আনন্দ উল্লাস যেন ১২ ফেব্রুয়ারির পর আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, এটাই ১৮ কোটি মানুষের প্রার্থনা।
















