বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মুসলিমা (৭) নামে এক শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর ও তার দুই ছেলেকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। অন্যদিকে ঘটনা জানাজানির পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের বসতঘর ও পানের বরজে আগুন দিয়েছে।নিহত মুসলিমা ওই এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে।স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বাড়ির আশপাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল মুসলিমা। একপর্যায়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবার ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা মাছের ঘেরের পাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন বলেন, ‘শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের হেফাজতে থাকা জাহাঙ্গীরের বসতবাড়ি ও পানের বরজে আগুন দেয়। এলাকাটির পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় পুলিশ ও প্রশাসন ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।’
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা-পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
















