ফুটবল খেলাটা দলীয় হলেও কখনো কখনো একজন খেলোয়াড়ই প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে যথেষ্ট। আজ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় সেই কাজটায় করেছেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। প্রতিপক্ষ নেপালকে একাই উড়িয়ে দিলেন তিনি।
যেন সুদে-আসলে সব বুঝে নিলেন সাগরিকা।
নেপালের বিপক্ষেই লাল কার্ড দেখে তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। সেই নেপালের বিপক্ষে ফিরেই সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেন। টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে একাই চার গোল করলেন। তাতে প্রতিপক্ষ নেপালের বিপক্ষে ‘অঘোষিত’ ফাইনালে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্টে আজ দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করেছেন সাগরিকা। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করেন প্রথমটি। সবমিলিয়ে মোট ৮ গোল করেছেন তিনি। যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
গোলগুলোর স্বীকৃতি হিসেবে আজ পেয়েছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড়ের পুরস্কার। তাতে চাওয়াটাই পূর্ণ হয়েছে তার। ম্যাচে ফিরেই যেন দলের হয়ে অবদান রাখতে পারেন এমনটাই চেয়েছিলেন তিনি। তবে যেভাবে ফিরলেন তাতে ভস্মই হলো নেপাল। ম্যাচ শেষে স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘আমি চেয়েছিলাম ফিরেই যেন ভালো খেলতে পারি।
দলকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম এবং সেটা পেরেছি। গোল করে দলকে জেতার লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিলাম।’
চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে সেরা হয়েও আফসোসে পুড়তে পারেন সাগরিকা। যেভাবে গোল করেছেন তাতে নিষেধাজ্ঞায় পড়া তিন ম্যাচের মধ্যে যদি দুটিতে খেলার সুযোগ পেতেন তাহলে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারটাও জিততে পারতেন। কেননা সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার জেতা পূর্ণিমা রাইয়ের থেকে মাত্র ২ গোলে দূরে ছিলেন। নেপালের ফরোয়ার্ড ১০ গোল করেছেন। অন্যদিকে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশের মিলি আক্তার।
















