শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬
  • লগিন
Bangla24Press
  • সারাদেশ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • ভাইরাল
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
Bangla24Press
  • সারাদেশ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • ভাইরাল
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
Bangla24Press
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষাঙ্গন
প্রথম পাতা সারাদেশ

গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে, অপরাজিত থেকে ছাড়লেন মাঠ

প্রতিবেদক - রাজু আহমেদ
8 months আগে
4AB85B48 76E8 44D6 969B 197F76D3EB15

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি একসঙ্গে একাধিক আসনে নির্বাচন করছেন, কিন্তু কখনো হারেননি। যখন যেখানে দাঁড়িয়েছেন, তুমুল জনপ্রিয়তায় ভর করে সেখান থেকে জয় নিয়ে ফিরেছেন।

এবার তাকে থামতে হলো জীবনের পথে। ৮০ বছর বয়সে এসে থেমে গেলো বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশাস। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো তার রাজনৈতিক জীবন। কিন্তু অপরাজেয়-ই থাকলেন রাজনীতির মাঠে।

১৯৪৫ সালে অবিভিক্ত দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়িতে জন্মেছিলেন খালেদা জিয়া। এর কুড়ি বছর পর বিয়ে করেছিলেন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে। তারপর থেকে তার ভবিষ্যৎ পথচলা জড়িয়ে গিয়েছিল জিয়াউর রহমানকে ঘিরে। যা তাকে গৃহবধু থেকে রাজনীতির মাঠে নিয়ে আসে।

রাজনীতিতে আসা

১৯৮১ সালের মে মাসে রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয়, তার আগে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে তেমন একটা দেখা যেতো না।

প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃত্যুর পর দল টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনে তৎকালীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার পরামর্শ ও অনুরোধে ১৯৮২ সালের জানুয়ারিতে রাজনীতিতে আসেন খালেদা জিয়া। ২ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন তিনি।

পরের বছর মার্চে খালেদা জিয়া সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদোন্নতি পান।

১৯৮৪ সালের আগস্টে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন পদে আসীন ছিলেন।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন কর্নেল (অব.) আকবর হোসেন, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম শিশু ও এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

এছাড়া, নজরুল ইসলাম খান ও জমির উদ্দিন সরকারের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ বিবিসি বাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছিলেন।

এছাড়া, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও খালেদা জিয়াকে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এক্ষেত্রে হায়দার আকবর খান রনো ও রাশেদ খান মেননের নাম উল্লেখযোগ্য।

হায়দার আকবর খান রনো তার আত্মজীবনী ‘শতাব্দী পেরিয়ে’ বইয়ে এ নিয়ে লিখেছেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার কাছে প্রস্তাব করলাম, আপনি রাজনীতিতে আসুন, বিএনপির হাল ধরুন, এক্ষেত্রে এরশাদের বিরুদ্ধে লড়ব। এরশাদ সম্পর্কে তার ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছিল। কিন্তু সরাসরি রাজনীতি করবেন কি না সে সম্পর্কে কিছু বললেন না। দেখলাম, তিনি স্বল্পভাষী, তবে আমাদের কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন। কোনও কথা ঠিক মতো বুঝতে না পারলে, প্রশ্ন করে ভালো করে বুঝে নিচ্ছিলেন। সবশেষে তিনি বললেন, ভেবে দেখব।’

যদিও খালেদা জিয়া বিএনপির প্রধান নেতৃত্বে আসুক, তা তৎকালীন সামরিক নেতা, গোয়েন্দা বিভাগ চায়নি বলে অনেক সময় বিশ্লেষকেরা বলেছেন।

গণতন্ত্রের আন্দোলনে বিজয়ী খালেদা জিয়া

বিএনপিতে যোগ দিয়েই খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলনের সূচনা করেন। এর মধ্যে এরশাদের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাতে ১৯৮৩ সালে গঠিত সাত দলীয় জোট গঠনের স্থপতি ছিলেন তিনি।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনবার গ্রেফতার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

তিনি ১৯৮৬ সালের কারচুপির নির্বাচনের বিরোধিতা করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। এই সিদ্ধান্ত ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের বড় টার্নিং পয়েন্ট।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ফোকাসটাই নিজের দিকে করে নিয়েছিলেন স্বৈরাচারের সাথে হাত না মিলিয়ে। তকমা পান আপোষহীন নেত্রীর।

এই সময় বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেন, যার ফলে সারাদেশে ৩২১টি ছাত্র সংসদের মধ্যে ২৭০টিতে জয়লাভ করে ছাত্রদল।

এই ছাত্ররা এরশাদের শাসনের পতনের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

এরশাদকে হটিয়ে ’৯১-এ যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়, এর পথচলায় দেশের জনগণ বিএনপিকে বেছে নিয়েছিল। আর দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রথম নারী, যিনি রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেন। এই নির্বাচনের প্রচারণায় মায়ের পাশে পুত্র তারেক রহমানকেও দেখা যায়।

খালেদা জিয়ার দুই শাসনামলের মধ্যে পঞ্চম সংসদ তুলনামূলক ভালো ছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন করতে দেখা যায়।

তবে, ১৯৯৪ সালে মাগুরায় উপ-নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ খালেদা জিয়ার এই শাসনামলে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিরোধী দলগুলো রাজপথে নামে।

তত্ত্ববধায়ক সরকার ও বিতর্কে খালেদা জিয়ার বিএনপি

বিরোধী দলগুলোর দাবি না মেনেই পঞ্চম সংসদের ইতি টানা হয়। এরপর বিরোধী দলগুলোর বর্জনের মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালে দলীয় সরকারের অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাতে বিএনপি ফের ক্ষমতায় আসে।

তবে এই সংসদ স্থায়ী ছিল মাত্র ১২দিন। দলগুলোর আন্দোলনের চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান এনে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংসদে পাস করে তৎকালীন বিএনপি সরকার।

সেই বিধান অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালে সপ্তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

ফের ক্ষমতায়

পাঁচ বছর পর নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে ২০০১ সালে সংসদে আসে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। খালেদা জিয়া আবারও প্রধানমন্ত্রী হন।

তার এই শাসনামলে দুর্নীতি, দেশে জঙ্গি হামলা বেশ আলোচনায় আসে। তবে, জঙ্গিদের দমনে তার সরকারের চেষ্টা ছিল লক্ষণীয়।

এই সরকারের বিদায়বেলায়ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে বিতর্ক দেখা যায়। এবার ছিল পছন্দের মানুষকে বসানোর অভিযোগ।

এই অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে আওয়ামী লীগ ও তার সমমনা দলগুলো একপর্যায়ে ভোট বজনের পথে যায়; যে নির্বাচনটি ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়নি। আসে এক-এগারো।

২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হওয়ার পর ঢাকার বিচারিক আদালতে যাওয়ার পথে খালেদা জিয়া। ছবি: এএফপি।
এক-এগারো ও নির্বাচনে যেতে আপত্তি

দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনে এক-এগারো। এখনও এই অধ্যায় ভুলেননি রাজনীতিবিদরা। জেলে যান প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতা খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা, ২০০৭ সালের কথা এটি। পরের বছর দুইজনেই মুক্তি পান।

দলগুলোর বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতার ঠিকানা-ও হয় কারাগার। খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান, আরাফাত রহমান কোকো-ও বাদ পড়েননি এই তালিকা থেকে।

এর বাইরে মাইনাস টু ফর্মুলা ছিল ওই সময়ে রাজনীতিতে বড় আলোচিত ঘটনা।

তবে, দুই নেত্রীকে সরানো যায়নি রাজনীতি থেকে। এক-এগারোর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিয়ে বিদায় নিতে বাধ্য হন।

ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে আপত্তি ছিল খালেদা জিয়ার। তবে, জোটের চাওয়াসহ নানা কারণে শেষ পর্যন্ত ভোটে গিয়ে ভালো ফলাফল জুটেনি দলটির।

বিপরীতে আওয়ামী লীগ একতরফা জয় পায় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ভোটে।

‘দেশ বাঁচাও’ স্লোগান, বাড়ি ছাড়া এবং লড়ে যাওয়া

নবম সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার বিএনপির স্লোগান ছিল দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এ যেন খালেদা জিয়া তার চোখে বাংলাদেশের অদূর ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগের টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলের এই দৃশ্য তরুণ থেকে বৃদ্ধ সবাই দেখেছেন।

এর বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে ২০১০ সালে তিনি মঈনুল রোডের বাড়ি হারিয়েছেন। বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য মানুষের মনে দাগ কাটে।

খালেদা জিয়ার বিএনপির নেতৃত্বেই সমমনা দলগুলো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়ে যায় এক যুগের বেশি সময় ধরে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আসে এর সফলতা।

ফের কারগারে ও মুক্তি

দুর্নীতি মামলায় দণ্ড পেয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান খালেদা জিয়া। এক-এগারোর পর দ্বিতীয়বারের মতো জেলে যান তিনি। পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিস ভবনে রাখা হয় তাকে। পরে আরও একটি মামলায় তার সাজা হয়েছিল। যদিও আন্তর্জাতিক ও দেশীয় আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

সরকারের নির্বাহী আদেশে দুর্নীতির দু’টি মামলায় বিএনপি নেত্রীর সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

তখন থেকে ৬ মাস পরপর ধাপে ধাপে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এর মধ্যে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি হন একাধিকবার। তখন তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর বিষয়ে। কিন্তু সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়।

৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পরদিন সাজা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পান খালেদা জিয়া। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর দণ্ড মওকুফ করার কথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরেন।

নভেম্বরের শেষের দিকে আবারও ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এবার আর সুস্থ হয়ে ফিরলেন না ফিরোজায়। ৩০ ডিসেম্বর ভোরে চলে গেলেন পরপারে।

বিষয় : অপরাজিত থেকেগৃহবধূ থেকেছাড়লেন মাঠরাজনীতিতে
শেয়ার টুইট

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

7f37513454ceffe43d0f547f9de92d66 6a7e834d59ff5
সারাদেশ

গৃহবধূর দাঁত ভেঙে, চুল কেটে, যৌনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ

আগস্ট ১৪, ২০২৬
1c90a9e09d52fc9bbaefd9b62e794bf0 6a7cd71ecf188
সারাদেশ

মাত্র ৭৩ দিনে কোরআনের হাফেজ ১৩ বছরের মুসাইব

আগস্ট ১৩, ২০২৬
6058a89226c51b25556d32c1246e820d 6a7a94ae3ffdc
সারাদেশ

এসএসসি পরীক্ষা: গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল

আগস্ট ১১, ২০২৬
7a1ca380a2efc5aa314775f9288bb865 6a78f3dcaf8e3
সারাদেশ

বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াতের বিরুদ্ধে

আগস্ট ১০, ২০২৬
ddd7a599887821544cb2f4b4fdabfdc3 6a789812b66e8
সারাদেশ

প্রেমিকের বাড়িতে স্ত্রীর অনশন: দুধ দিয়ে গোসল করে ১৭ বছরের সম্পর্ক বিচ্ছেদ স্বামীর

আগস্ট ৯, ২০২৬
a5701f448bf809a441963e9375a4e9fb 6a76a34dd1b76
সারাদেশ

রাতে গানের আসর মাতালেন, সকালে আর বাড়ি ফেরা হলো না পেহেলি ভৈরবীর

আগস্ট ৮, ২০২৬

সর্বশেষ খবর

bdf422a982673aaa241a7340482b4c88 6a7e86d313a6c

১৭ রানে পিছিয়ে থেকে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ, চাপে অস্ট্রেলিয়া

আগস্ট ১৪, ২০২৬
9a63f3e5db8f63138d088203bdc720b4 6a7e85eba0ddc

ইরানের বিরুদ্ধে ‘অভূতপূর্ব’ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আগস্ট ১৪, ২০২৬
461b1a451b4974aee959c9aace750016 6a7e1e93805d2

বিএনপি ও সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি যারা

আগস্ট ১৪, ২০২৬
7f37513454ceffe43d0f547f9de92d66 6a7e834d59ff5

গৃহবধূর দাঁত ভেঙে, চুল কেটে, যৌনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ

আগস্ট ১৪, ২০২৬
a196bd0b79a8908535b60d8520eee5b4 6a7e1d5a5392b

ভারত, জাপানসহ সব দেশ সফরের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আগস্ট ১৪, ২০২৬
6482322d1a794f29562a54ed8b6e86d6 6a7d3388cec98

অস্ট্রেলিয়ার ৪ উইকেট নিয়ে লাঞ্চের বিরতিতে বাংলাদেশ

আগস্ট ১৩, ২০২৬
55ae231cff097e602c28d09de853ed9c 6a757a0b5d0fb

তথ্য বিক্রির অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

আগস্ট ১৩, ২০২৬
725152d016afdbce680d762ef0917ef6 6a7d337476c38

আমাকে গালি দেয়, কিছু বলি না, কারণ, যে যে স্তরের তার চিন্তা তো ওই স্তরের’

আগস্ট ১৩, ২০২৬
1c90a9e09d52fc9bbaefd9b62e794bf0 6a7cd71ecf188

মাত্র ৭৩ দিনে কোরআনের হাফেজ ১৩ বছরের মুসাইব

আগস্ট ১৩, ২০২৬
cea9f8a8d0cce749b5c62c20ccf37705 6a7d2e283675d

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

আগস্ট ১৩, ২০২৬
ফেসবুক ইউটিউব
  • শনিবার (ভোর ৫:৩২)
  • ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
গুগল নিউজে ফলো করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Android app onGoogle PlayAvailable on theApp Store
bangla24press

Bangla24Press is your news, entertainment, music fashion website. We provide you with the latest breaking news and videos straight from the entertainment industry.

  • আমাদের সম্পর্কে
  • Contact Us
  • Terms of Use
  • Privacy Policy

© 2026 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষাঙ্গন

© 2026 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত