ঢাকার আশেপাশে অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে, যেখানে আপনি একদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারবেন। ঢাকার বাইরে যেতে সাধারণত অনেক সময় ও খরচ লাগে। কিন্তু এই জায়গাগুলোতে আপনি কম সময়েই প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকতে পারবেন এবং মনকে সজীব করতে পারবেন। চলুন, জেনে নিই জায়গাগুলো সম্পর্কে।
গোলাপ গ্রাম
ঢাকার খুব কাছেই একটি বিশেষ জায়গা গোলাপ গ্রাম। যেখানে রাস্তার দুইপাশ গোলাপের বাগানে পরিপূর্ণ। এখানে গিয়ে মনে হবে আপনি একটি বিশাল গোলাপ বাগানের মধ্য দিয়ে হাঁটছেন।
ঢাকার মিরপুর দিয়াবাড়ি বটতলা ঘাট থেকে সাহদুল্লাহপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনচালিত বোট ৩০ মিনিট পর পর চলে।
এতে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় লাগবে।
পানাম ও মেঘনার পার
পানাম সিটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মাঝে একটি। এখানে গেলে বাংলার ইতিহাসের সাথে পরিচিত হওয়া যায়। পানাম থেকে মেঘনা নদী খুব কাছেই, যেখানে রয়েছে কাশফুলে ঘেরা বিস্তৃত মাঠ।
পানাম সিটি যাওয়ার জন্য গুলিস্তান থেকে সোনারগাঁ যাওয়ার বাসে আগে পানামনগর যেতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় ১০-১৫ মিনিটে পৌঁছানো যাবে পানাম সিটি।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
ঢাকার অদূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত এই জমিদার বাড়িটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জমিদারবাড়িগুলোর মধ্যে একটি।
গাবতলী থেকে বাসে মানিকগঞ্জ অথবা সরাসরি সাটুরিয়া যেতে পারবেন। সেখান থেকে রিকশা বা সিএনজিতে করে জমিদার বাড়ি পৌঁছাতে পারবেন।
মহেরা জমিদার বাড়ি, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদার বাড়ি একটি অত্যন্ত সুন্দর জায়গা। এখানে অসাধারণ কারুকার্য করা তিনটি স্থাপনা রয়েছে। মহেরা জমিদার বাড়ি যাওয়ার জন্য মহাখালি থেকে বাসে টাঙ্গাইল যেতে হবে। তারপর নাটিয়া পাড়া বাস স্ট্যান্ডে নেমে অটোরিকশা করে জমিদার বাড়ি পৌঁছানো যাবে।
পদ্মা রিসোর্ট
ঢাকার ৪০ কিলোমিটার দূরে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজংয়ে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত পদ্মা রিসোর্ট। বর্ষা মৌসুমে এখানে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
পদ্মা রিসোর্টে যাওয়ার জন্য আপনাকে গুলিস্তান বা যাত্রাবাড়ী থেকে বাসে মাওয়া আসতে হবে। এরপরে ফেরি পার হয়ে রিসোর্টে পৌঁছানো যাবে। রিসোর্টের নিজস্ব স্পীডবোট রয়েছে যা দিয়ে আপনি পদ্মা নদীতে ঘুরতে পারবেন।
সূত্র : সাজগোজ
















