গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক এখন ঘুষ গ্রহণ এবং অবৈধভাবে স্কুলে প্রবেশের অভিযোগে অভিযুক্ত। ছাত্রের বাবা শুধুমাত্র অবৈধ প্রবেশের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া স্কুলের এক ফ্যাসিলিটি ম্যানেজার, যিনি এই চুরির পরিকল্পনায় সহায়তা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে, শিক্ষকরা সক্রিয়ভাবে স্কুলে কর্মরত থাকলে ব্যক্তিগতভাবে কোনো ছাত্রকে টিউশন করাতে পারবেন না।
সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কেবিএস জানায়, ওই ছাত্র সবসময়ই শীর্ষ ফলাফল করত। তবে পূর্বে সে কোনো প্রশ্নপত্র চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। পুলিশের ধারণা, শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল এবং এটি তাদের প্রথম চেষ্টাও নয়।
এই ঘটনা দক্ষিণ কোরিয়ার পরীক্ষাকেন্দ্রিক আরো একটি কেলেঙ্কারির অংশ, যেখানে শিক্ষাব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
এর আগেও চলতি বছরের জুন মাসে একটি জাতীয় ইংরেজি পরীক্ষার উত্তর অনলাইন চ্যাটরুমে ফাঁস হওয়ায় তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ফেব্রুয়ারিতে, উচ্চ পর্যায়ের সুনুং পরীক্ষার জন্য নকল প্রশ্ন বিক্রির অভিযোগে ২৪৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে অনেক স্কুলশিক্ষকও ছিলেন।
২০২৩ সালের শেষ দিকে আরেক ঘটনায়, পরীক্ষাকালে শিক্ষকরা ভুল করে সময় ৯০ সেকেন্ড আগে শেষ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েক ডজন শিক্ষার্থী সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
সূত্র : বিবিসি
















