বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠি সংক্রান্ত যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।তিনি জানান, প্রতিবেদনে উল্লেখিত ঘটনাটি মূলত প্রায় দুই সপ্তাহ আগের। সে সময় অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি উক্ত চিঠির বিষয়ে আমিরে জামায়াতকে অবহিত করেন এবং একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে বিষয়টি উপস্থাপন করেন।তবে পরবর্তীতে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে যাচাই করে দেখা যায়, চিঠির বিষয়বস্তু আমিরে জামায়াতকে যে ভাবে ব্রিফ করা হয়েছিল, বাস্তবে তা তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিশেষ করে চিঠিতে উল্লেখিত মন্ত্রীর পদমর্যাদা সংক্রান্ত অংশে আমিরে জামায়াতের কোনো সম্মতি ছিল না।
বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে উক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) এমপি-কে বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছেএছাড়া বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা হয়। সেখানে জানানো হয় যে উক্ত চিঠির বিষয়ে আমিরে জামায়াত অবগত ছিলেন না। পাশাপাশি জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। কোনো বিষয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে তা দ্রুত সংশোধনের নীতিতে দলটি বিশ্বাস করে এবং এ ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
















