কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বোরগে ব্রেন্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিতর্কে নাম জড়ানোয় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ব্রেন্ডে।নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন ব্রেন্ডে।
এক বিবৃতিতে তিনি জানান, কোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।সদ্য প্রকাশিত বিবৃতিতে ব্রেন্ডে জানান, সতর্কতার অংশ হিসেবে তিনি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। সেখানে সাড়ে আট বছরের কর্মজীবনকে তিনি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন।
নিজের দায়িত্বকাল সম্পর্কে ব্রেন্ডে বলেন, আমরা রেকর্ডসংখ্যক অংশীদারকে যুক্ত করতে পেরেছি এবং দাভোসে অত্যন্ত সফল বার্ষিক সভা আয়োজন করেছি। দাভোসের সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি নেতাদের সঙ্গে অতীতের চেয়ে অনেক বেশি সম্পৃক্ততার ঘটনা ঘটেছে।
সহকর্মী, অংশীদার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ব্রেন্ডে বলেন, কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই অর্থনৈতিক ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য এটিই উপযুক্ত সময়।
ফোরামের প্রধানের পদত্যাগের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নির্দেশে প্রকাশিত এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিপত্র। প্রকাশিত ৩৫ লাখের বেশি নথির মধ্যে ব্রেন্ডের নামও রয়েছে।
জানা গেছে, ব্রেন্ডে এপস্টেইনের সঙ্গে অন্তত তিনবার ব্যবসায়িক নৈশভোজে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া ই-মেইল ও খুদে বার্তার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছিল।
















