মালি ও বুরকিনা ফাসো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নো-এন্ট্রি তালিকাভুক্ত করার পর পাল্টা পদক্ষেপ নিল এই দেশগুলো।
উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথকভাবে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা মার্কিন নাগরিকদের ওপর সমমানের পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আসে এমন সময়ে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মাসে প্রায় ৪০টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যা কেবল নাগরিকত্বের ভিত্তিতে প্রযোজ্য।
এই তালিকায় সিরিয়ার নাগরিক, প্যালেস্টাইনের স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষের পাসপোর্টধারী এবং আফ্রিকার কিছু দরিদ্র দেশের নাগরিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেমন নিগার, সিয়েরা লিওন এবং দক্ষিণ সুদান। হোয়াইট হাউস বলেছে, তারা এমন বিদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে যারা মার্কিন নাগরিকদের হুমকি।
বুরকিনা ফাসো জানিয়েছে, তারা মার্কিন নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মতোই একই ধরনের ভিসা নিয়ম চালু করছে। মালি বলেছে, এখন থেকে মার্কিন নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সেই সব শর্ত ও নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যা যুক্তরাষ্ট্র মালি নাগরিকদের জন্য ব্যবহার করছে।
এই সিদ্ধান্ত সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে। মালি আরো জানায়, যুক্তরাষ্ট্র আগে কোনো আলোচনা না করেই এমন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তারা দুঃখ প্রকাশ করছে। মালি ও বুরকিনা ফাসো—দুটো দেশই সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে। তারা নিগারসহ একটি যৌথ জোটের সদস্য।
সূত্র : ব্যারন’স
















