সিউল বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে গোল উৎসব করেছে বার্সেলোনা। প্রাক-মৌসুমের প্রীতি ম্যাচে এফসি সিউলকে ৭-৩ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেছেন ইয়ামাল লামিনে ও ফেরান তোরেস। আর একটি করে গোল করেছেন রবার্ট লেভানডফস্কি, আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসেন, গাভি।
প্রতিপক্ষের হয়ে ব্যবধান কমান-ইয়াং-উকে চো, ইয়াহান আল-আরাব ও জুং হান-মিন।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য দেখানো বার্সেলোনার গোল উৎসব শুরু হয় ৮ মিনিটে। কাতালান ক্লাবকে লিড এনে দেওয়া গোলটি কেরন লেভানডফস্কি। তবে গোলটা হওয়ার কথা ছিল প্রথমবারের মতো ‘১০’ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নামা লামিনে ইয়ামালের।
বাঁ পায়ে সিউলের গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও বারে লেগে ফিরে আসে। সেই সুযোগটাই কাজে লাগান বক্সে থাকা লেভা।
তবে গোল পেতে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি লামিনেকে। ৬ মিনিট পরেই তার প্রিয় বাঁ পায়ে দারুণ এক গোল করেন তিনি।
অন্যদিকে ২৬ মিনিটে সিউলের হয়ে ব্যবধান কমান ইয়াং-উক। বিরতিতে যাওয়ার আগে সমতায় পেয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ক্লাবটি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সমতায় ফেরান আল আরাব।
সমতায় ফেরার আনন্দ নিয়ে বিরতিতে যেতে পারেনি সিউল। কেননা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটেই যে দলকে ৩-২ লিড এনে দেন লামিনে।
৪৬ মিনিটে কোচ বদলি না করলে হ্যাটট্রিকও হয়তো পেতেন। বিরতি শেষে আবার খেলা শুরু হলে ব্যবধান বাড়াতেই থাকে বার্সেলোনা। এক এক করে গোল বাড়ে আর সিউলের হার নিশ্চিত হতে থাকে। ৫৫ মিনিটে চতুর্থ গোল করেন ডিফেন্ডার ক্রিস্টেনসেন।
৭৪ থেকে ৭৬ মিনিটে আরো দুই গোল হজম করে সিউল। গোল দুটি করেন দুই বদলি খেলোয়াড় তোরেস ও গাভি। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে তোরেস আরেকটি গোল পান। ৮৮ মিনিটে সিউলের জালে শেষ পেরেকটি মারেন তিনি। তার আগে অবশ্য ৮৫ মিনিটে এক গোল কমান হান-মিন।
প্রাক-মৌসুমের এশিয়া সফরে এর আগে জাপানের ক্লাব ভিসেল কোবেকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বার্সেলোন। আগামী সোমবার কোচ হান্সি ফ্লিকের দলের সফর শেষ হবে। সেদিন দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক ক্লাব দেগু এফসির বিপক্ষে খেলবে বার্সেলোনা।
















