সেখানে টয়লেটে উঠে গিয়ে একটি খোলা জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে পড়ে। জানালাটিতে কোনো সুরক্ষা গ্রিল ছিল না।
এসসিএমপি জানিয়েছে, শিশুটির পড়ে একটি গাছে আটকে গিয়ে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যায়। ভবনের এক বাসিন্দা নিচে শিশুটিকে দেখতে পান এবং সেই মুহূর্তের ভিডিও করে প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট গ্রুপে শেয়ার করেন।
ওই ভিডিও দেখেই শিশুটির বাবা ঝু জানতে পারেন, তার ছেলে নিচে পড়ে গেছে।
বাবা ঝু বলেন, ‘শুরুতে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে সে ১৮ তলা থেকে পড়ে গেছে, যতক্ষণ না প্রপার্টি ম্যানেজমেন্টের ভিডিওতে বিষয়টি নিশ্চিত হই।’
তিনি আরো জানান, তার ধারণা, ১৭ তলার একটি খোলা জানালায় আটকে গিয়ে তার ছেলের গতিপথে ‘বিচ্যুতি’ হয়েছিল। এতে সরাসরি কংক্রিটে না পড়ে একটি গাছের ডালে গিয়ে পড়ে সে।
না হলে হয়তো তার ছেলে সরাসরি কংক্রিটের ওপর আছড়ে পড়ত।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, শিশুটি খোলা জানালার পাশ দিয়ে গলে পড়ে গিয়ে একটি গাছের ডালে গিয়ে ঠেকে, এরপর নিচে একটি ঝোপের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে, কংক্রিটে নয়।
শিশুটিকে উদ্ধার করে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দি ইন্ডিপেন্ডেটের খবরে বলা হয়েছে, চিকিৎসকরা শিশুটির বেঁচে থাকাকে ‘অলৌকিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। শিশুটির বাঁ হাত ভেঙেছে, মেরুদণ্ডে টান পড়েছে এবং কিছু অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে তার মাথা অক্ষত রয়েছে এবং পুরো সময় তার জ্ঞান ছিল। অবাক করার মতো ব্যাপার হলো, শিশুটি হাসপাতালে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই চিকিৎসকদের অনুরোধ করে, ‘বাবাকে বলো আমাকে একটা বাম্বলবি কিনে দিতে।’
এই অলৌকিক ঘটনায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শিশুটির বাবা পরে সেই ‘জীবনরক্ষাকারী গাছের’ ডালে একটি বড় লাল ফুল ঝুলিয়ে দেন, যা চীনা ঐতিহ্যে সম্মান ও উদযাপনের প্রতীক।
সূত্র : এনডিটিভি
















