বয়স ৩০ পেরোনোর পর নারীদের শরীরে নানা হরমোনজনিত পরিবর্তন শুরু হয়, যা পেরিমেনোপজ নামে পরিচিত। এই সময়ে প্রোটিনের চাহিদা অনেক বেড়ে যায় বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।
প্রোটিন আমাদের শরীরের পেশি, হরমোন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও কোষ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেক নারীর খাদ্যতালিকা পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে না।
যার ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা। যেমন পেশি ক্ষয়, ওজন বৃদ্ধি, ক্লান্তি, অনিয়মিত মাসিক ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।
পুষ্টিবিদদের মতে, পেরিমেনোপজে থাকা নারীদের দৈনিক ওজন অনুযায়ী প্রতি কেজিতে ১ থেকে ১.২ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। যেমন ৬০ কেজি ওজনের নারী হলে তার ৭২-৯৬ গ্রাম প্রোটিন দরকার।
তবে এই প্রোটিন পুরো এক দিনে ভাগ করে খাওয়া উচিত।
ডায়েটিশিয়ানদের মতে, প্রোটিন শুধু শরীরচর্চাকারীদের জন্য নয়। এটি সব বয়সের নারীর জন্য দরকারি। প্রোটিন গ্রহণ শরীরের শক্তি ঠিক রাখতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, শরীরচর্চা না করে অতিরিক্ত প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। প্রাকৃতিক উৎস যেমন ডাল, ডিম, মাছ, মুরগি, দুধ ও বাদাম থেকে প্রোটিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন দীর্ঘমেয়াদে নারীর স্বাস্থ্য ও জীবনের মান উন্নত করে।
সূত্র : এনডিটিভি
















