তবে চাইলে পায়েসের ক্যালরির মাত্রা কিছুটা কমিয়ে ফেলা যায়। বাড়িয়ে দেওয়া যায় পুষ্টিগুণ। প্রয়োজন উপকরণে কিছু পরিবর্তন।
চালের পরিবর্তে কী
চালের বেশিরভাগই কার্বোহাইড্রেট। এতে পুষ্টির পরিমাণ কম। সে কারণে গোবিন্দভোগ চালের পরিবর্তে কাওনের চাল, মিলেট ব্যবহার করতে পারেন। এতে স্বাদে কিছুটা পরিবর্তন হলেও, খেতে ভালোই হবে।
ফ্যাট ছাড়া দুধ : ফ্যাট যুক্ত দুধ ব্যবহারে ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে অনেকটাই। সে কারণে ফ্যাট ছাড়া দুধ ব্যবহার করতে পারেন। তবে পায়েস রাঁধার সময় দুধ খুব ভালো করে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে।
গুড় বা খেজুর : চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করতে পারেন। এতে শর্করার মাত্রা কমবে না বটে, কিন্তু গুড়ে নানারকম খনিজ আছে। ফলে পুষ্টিগুণ বাড়বে। সাধারণত পায়েসে খেজুর দেওয়া হয় না। তবে স্বাস্থ্যকর করতে হলে বীজ ছাড়ানো খেজুর বেটে দিতে পারেন। এর প্রাকৃতিক মিষ্টত্বেই পায়েসে স্বাদ আসবে, পুষ্টিগুণও বেড়ে যাবে।
বাদাম : পায়েসে কাজু-কিশমিশ দেওয়া হয়। এর সঙ্গে পেস্তা, কাঠবাদাম কুচি জুড়ে দিলেও দারুণ লাগবে। বাদাম দিলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট মেলে। চাইলে বাদামের পরিমাণ একটু বাড়িয়ে নিতে পারেন। তবে বাদাম বাড়লে পুষ্টিগুণ যেমন বাড়বে, তেমনি ক্যালরিও বাড়বে।
পরিমাণ : ক্যালরির পরিমাণ যতই কমান না কেন, একসঙ্গে অনেকটা পায়েস খেলে হজমেও সমস্যা হতে পারে। বিশেষত, দুধ সবার সহ্য হয় না। তা ছাড়া দুধ হজম করাও সহজ নয়।
সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম
















