তবে এসব পছন্দের মাছ নিয়েও পরিবারের অনেকের ভেতর দ্বন্দ্বের শেষ থাকে না।
মাছের বিকল্প মাছই
পুষ্টিবিদদের কথায়, মাছে রয়েছে ফার্স্টক্লাস প্রোটিন। তাই নিয়মিত মাছ খেলে দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মিটে যাবে অনেকটাই।
তবে এখানেই শেষ নয়, মাছের শরীরে রয়েছে জিংক, সেলেনিয়াম ও আয়রনের মতো অত্যন্ত উপকারী কিছু উপাদান। তাই বুঝতেই পারছেন, প্রতিদিন মাছে খেলে শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে আর কোনো চিন্তাই থাকবে না।
ছোট মাছ না বড় মাছ, পুষ্টিগুণে কে এগিয়ে
পুষ্টিবিদরা জানান, বড় মাছের তুলনায় ছোট মাছ খাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। বড় মাছে ফ্যাটের আধিক্য থাকে, যা ওজন বাড়াতে পারে। এদিকে এসব মাছ হজম করাও সহজ কাজ নয়।
নদী না সমুদ্র
এই দুই ধরনের মাছেরই নিজস্ব কিছু গুণ রয়েছে বলে জানান পুষ্টিবিদরা। তাদের কথায়, সামুদ্রিক মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের মাত্রা খানিকটা বেশি থাকে। অপরদিকে নদী বা পুকুরের মাছে প্রোটিনের মাত্রা থাকে অনেকটাই বেশি। তাই এই দুই ধরনের মাছের মধ্যে কোনো একটিকে এগিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বরং নিজের পছন্দ মতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এইসব মাছ খান। তাহলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।
দিনে কতটা খাবেন
একজন ব্যক্তির উচ্চতা এবং ওজনের হিসেব কষে তার প্রোটিনের চাহিদা ঠিক করা হয়। তাই কার কতটা মাছ খাওয়া উচিত, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ কাজ নয়। তবে সকলের সুবিধার্থে বলা যায়, দিনে ৭৫-১০০ গ্রাম মাছ খেতেই পারেন। এতেই আপনার শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। তবে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও হাই প্রেশারের মতো অসুখ থাকলে চিকিৎসক ও ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ মতো মাছ খান।
ভাজা মাছে পুষ্টি মিলবে না
অনেকেই মাছ কড়া করে ভেজে তারপর রান্না করেন। এভাবে রান্না করলে মাছের পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ছাঁকা তেলে কড়া করে মাছ ভাজার অভ্যাসে বাদ দিন। বরং অল্প তেল, মশলা সহযোগেই বানিয়ে ফেলুন মাছের সুস্বাদু পদ। এতেই সুস্থ থাকবেন আপনি ও আপনার পরিবার।
সূত্র : এই সময়
















