অনেকেই মনে করেন কোলন ক্যান্সার শুধু বয়স্কদের রোগ।
কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ
নিয়মিতভাবে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এবং তা যদি সহজে না সারে, তবে এটি কোলন ক্যান্সারের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। বৃহদান্ত্রে টিউমার তৈরি হলে মলের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়, যার ফলে এই দুই সমস্যার সৃষ্টি হয়।
মলের সঙ্গে রক্ত আসা কোলন ক্যান্সারের একটি গুরুতর লক্ষণ। অনেকে একে পাইলস (হেমোরয়েড) মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু যদি বারবার এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই পেটে ক্রমাগত ব্যথা, ফাঁপাভাব বা গ্যাসের সমস্যা হয়, তাহলে তা কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।
কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শরীরে ধীরে ধীরে রক্তক্ষরণ হতে থাকে, যা থেকে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া হতে পারে। এর ফলে ব্যক্তির মধ্যে সারাক্ষণ ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা দুর্বলতার অনুভূতি থাকতে পারে।
ডায়েট বা ব্যায়ামের পরিবর্তন বা কোনো কারণ ছাড়াই যদি ওজন দ্রুত হ্রাস পেতে শুরু করে, তবে তা কোলন ক্যান্সারের একটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে। ক্যান্সার কোষ শরীরের শক্তি ব্যবহার করে ফেলায় ওজন হ্রাস পেতে থাকে।
অনেক সময় মলত্যাগের পরেও মনে হয় পেট পুরোপুরি খালি হয়নি, এটিও কোলন ক্যান্সারের একটি লক্ষণ হতে পারে। অন্ত্রে টিউমার থাকলে এইরকম অনুভূতির সৃষ্টি হয়। এ ধরনের উপসর্গ অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তার দেখানো উচিত।
বিশেষজ্ঞ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বলেন, বর্তমানে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, কম ফাইবারযুক্ত খাবার ও স্থূলতা তরুণদের কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। পেটের যেকোনো সমস্যাই দীর্ঘদিন থাকলে তা অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সূত্র : নিউজ ১৮
















